নিজস্ব প্রতিবেদক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে চলা নানা গুঞ্জন ও বিভ্রান্তির সফল অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী কমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ৩০ মিনিটে দলটির সভাপতি ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় বৈঠক নিয়ে নানা ধরনের মনগড়া গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। একটি কুচক্রী মহল দাবি করছিল যে, বৈঠকটি স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে। এমনকি অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নানান বিভ্রান্তিকর তত্ত্ব ও তথ্য প্রচার করে দলের নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
তবে সমস্ত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সব বাধা ও অপপ্রচারকে পেছনে ফেলে সফলভাবেই অনুষ্ঠিত হয় এই হাই-প্রোফাইল সভা।
পরবর্তীতে এ বিষয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করতে শনিবার সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি কড়া ও সুনির্দিষ্ট বার্তা দেওয়া হয়। ওই পোস্টে পরিষ্কার ভাষায় উল্লেখ করা হয়—
“পূর্বের বিভেদ সৃষ্টিকারীরা আবার সক্রিয়। আওয়ামী লীগের সেন্ট্রাল কমিটির বৈঠকের আলোচনা কারও প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী হয় না, দুঃখিত। আওয়ামী লীগের প্রেসক্রিপশন একটাই: জননেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের নেতা একজনই: জননেত্রী শেখ হাসিনা।”
দলটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, রাত জেগে অনলাইনের উদ্ভট সব তত্ত্ব বা গুজবের ওপর ভিত্তি করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি পরিচালিত হয় না। ১৮ সেপ্টেম্বরের ভার্চুয়াল মিটিংটি সম্পূর্ণ পূর্বনির্ধারিত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাই যারা গত তিন দিন ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়েছে, তাদের নিজ বিবেকের কাছে এবং দেশবাসীর সামনে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নানামুখী গুজব ও অপপ্রচারের জাল ভেদ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি নেতৃত্বে এই কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হওয়া দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও দৃঢ়তারই বহিঃপ্রকাশ। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দলের সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে এবং নেতাকর্মীরা আরও বেশি উজ্জীবিত হয়েছেন।
