নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামী ডিসেম্বরে জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ঘটবে এবং সেই মাহেন্দ্রক্ষণে পটুয়াখালী-৪ আসনের কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী উপজেলা ও মহিপুর থানার আওতাধীন এলাকার প্রায় পঞ্চাশ হাজার নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিববুর রহমান।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মহিববুর রহমান বলেন, “নেত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে আমাদের প্রস্তুতি চমলান রয়েছে। ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমরা সার্বিক যোগাযোগ রাখছি এবং ইতোমধ্যে তালিকা প্রণয়নের কাজও সমান ভাবে এগিয়ে চলছে। এই দুঃসময়েও আমাদের নেতাকর্মীরা সকল বাধা ও নির্যাতন উপেক্ষা করে দলের জন্য নিবেদন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।”
রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন খানের সঞ্চালনায় সংযুক্ত থেকে বক্তব্য দেন রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হুমায়ুন তালুকদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম মোশারেফ হোসেন,মৌডুবীইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাসেল মাহমুদ, চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জাহিদ,ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ান পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান শিবলী, বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ রিয়াজ উদ্দীন,চরমোন্তাজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাসেল খান,উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মাহাথির মোহাম্মদ রেসাদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মফিদুল হক বাবলু, বড় বাইসদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বাচ্চু খান,হেলাল মেম্বার, চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা হাওলাদার, চরমন্তাজ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন হাওলাদার, রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা শওকত প্যাদা, চরমন্তাজ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সজল তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহামুদ হাসান,যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মশিউর রহমান শিমুল,উপজেলা যুবলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক রুবেল হাওলাদার, সাবেক সহ সম্পাদক রেজাউল হাওলাদার, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ওয়াহিদ খান রাজ ও সাজেদুল ইসলাম সোহেল,উপজেলা যুবলীগ নেতা বাবু তালুকদার, চরমন্তাজ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আলী আক্কাস মেম্বার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান উজ্জ্বল, রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রনি হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক রিদয় মৃধা, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রিতম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মাহামুদ হাসান টিটু, রাঙ্গাবালী উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সাকিল, উপজেলা যুবলীগ নেতা শাহাদাত প্যাদা উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম নেতৃবৃন্দ।
ভার্চুয়াল এই সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সকল সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সংযুক্ত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন।
এর আগে, গত ১৫ আগস্ট রাত ৯টায় কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একটি ভার্চুয়াল শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোতালেব তালুকদার, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান চুন্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শহীদুল আলম, মঞ্জুরুল আলম, মঞ্জুরুল ইসলাম,কলাপাড়া পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারউদ্দীন আহম্মেদ মাসুম বেপারি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এ্যাডভোকেট ড.মো: শামীম আল সাইফুল ইসলাম সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ আলী এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট নাসিরুদ্দিন সোহাগ সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যুক্ত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে স্বাধীন বাংলার জাতির স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

