নিজস্ব প্রতিবেদক | Info Bangla
মহেশখালীর ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রেসিফায়ার ইউনিটে (এফএসআরইউ) আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র গ্যাস সংকট কাটাতে বিদেশি প্রকৌশলীরা সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ১ আগস্ট থেকে প্রাথমিক স্বস্তি মিলবে এবং আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে মূল সংকটের বড় অংশ কেটে যাবে। যদিও শতভাগ সংকট নিরসনের মতো আকাশকুসুম প্রতিশ্রুতি দেওয়া সম্ভব নয়, তবে শিল্প খাতসহ সামগ্রিক পরিস্থিতির উত্তরণে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতে সংকট: উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এক নীতি-নির্ধারণী সংলাপে এসব আশার কথা ফুটে ওঠে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, বিগত দেড় দশকের অপরিকল্পিত নীতির কারণে দেশকে অতিরিক্ত এলএনজি আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল। মাত্র ছয় মাসের মধ্যে সেই দীর্ঘদিনের জট খোলা কঠিন হলেও নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েই সংকট সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করেছে। দ্রুতই দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস অনুসন্ধানে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
শিল্পপতিদের দুর্ভোগ লাঘবেও এসেছে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পক্ষ থেকে আসা প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, যেসব উদ্যোক্তা গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের গ্যাস বিল পরিশোধে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে সরকার। বকেয়া বিলগুলো একটি ‘ব্লক অ্যাকাউন্টে’ স্থানান্তর করে পরবর্তীতে সহনীয় কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকট নিরসনে ব্যবসায়ীদের মতামত ও কৌশল নির্ধারণ করতে শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে বসবেন।

