নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৬২তম এমবিবিএস ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. অপু সাহার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ সৃষ্টির মতো নারী কেলেঙ্কারির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাসফিয়া জাহান নামের এক শিক্ষার্থী এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট দিলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং রামেক ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি অনুযায়ী, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি চলাকালে তার প্রাইভেট টিউটর হিসেবে কাজ করতেন ডা. অপু সাহা। সেই সূত্রে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে প্রেমের অভিনয়ের আশ্রয় নিয়ে শারীরিক সম্পর্কের চাপ সৃষ্টি এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তা হাসিল করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, নিজের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার পর অভিযুক্ত অপু ওই শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্লক করে দেন এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে ক্ষতির হুমকিও প্রদান করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, পূর্বেও একাধিক নারীর সাথে একই ধরনের আচরণ করেছেন অভিযুক্ত এই নেতা।
প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে নয়, বরং অন্য কোনো নারী যেন এমন প্রতারণার শিকার না হন—সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এনেছেন বলে জানান ওই শিক্ষার্থী।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর রামেক ছাত্রদলের নেতা-কর্মী ও অভিযুক্ত অপু সাহা ফেসবুক এবং সামাজিক মাধ্যমে তা অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি:
- অপু সাহার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে গিয়েছিল এবং সেখান থেকেই ছবিগুলো ফাঁস করা হয়েছে।
- ছবিতে থাকা নারীটি তার হবু স্ত্রী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষের নানা মতামত উঠে আসায় বর্তমানে পুরো রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে থমথমে ও কৌতূহলপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।

