আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মাটি থেকে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত ও ঐতিহাসিক ঘোষণা।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সফল মহাসচিব এবং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ স্পষ্ট ও দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়ে দিয়েছেন—“আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছেন এবং আগামী ডিসেম্বরেই তিনি বীরের বেশে দেশে ফিরে আসবেন।”
নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনাকীর্ণ ও আবেগঘন রাজনৈতিক সমাবেশে অভিজ্ঞ এই সাংবাদিক নেতার মুখ থেকে আসা এই সুনির্দিষ্ট ঘোষণাটি মুহূর্তে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া—গোটা বাংলাদেশে এক অভূতপূর্ব উদ্দীপনা ও গভীর স্বস্তির জোয়ার বয়ে এনেছে। প্রতিকূল সময়ে রাজপথের লড়াকু নেতাকর্মীদের মাঝে এই বার্তা যেন এক নতুন সঞ্জীবনী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের মতে, শাবান মাহমুদের এই ঘোষণাকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির কূটনৈতিক অলিন্দে অত্যন্ত সফলভাবে প্রেস মিনিস্টারের দায়িত্ব পালন করা এই ঝানু সাংবাদিক নেতার এই বার্তার পেছনে রয়েছে সুদূরপ্রসারী প্রস্তুতি ও নিপুণ সাংগঠনিক রূপরেখা।
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কেন এখন সময়ের অন্যতম বড় বাস্তবতা, তার কয়েকটি মূল দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
জনগণের হৃদয়ে অক্ষয় আসন: বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী ও সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়ার পেছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। দেশের কোটি কোটি আমজনতা আজ বুঝতে পারছে, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার প্রশ্নে তাঁর বিকল্প কেবল তিনিই।
নেতাকর্মীদের পুনর্জাগরণ: প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কোটি কোটি সমর্থক ও কর্মী যখন একটি দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় ছিলেন, ঠিক তখনই শেখ হাসিনার এই আসন্ন প্রত্যাবর্তনের খবর তাদের মাঝে সাংগঠনিক পুনর্জাগরণ ও রাজপথে ফেরার ইস্পাতকঠিন আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।
গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার গ্যারান্টি: দেশের উদারপন্থী সমাজ ও রাজনৈতিক বোদ্ধারা মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ভারসাম্য, অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং সর্বদলীয় অংশীদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি অপরিহার্য। তাঁর প্রত্যাবর্তন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং যেকোনো ধরনের উগ্রবাদের বিরুদ্ধে এক অদম্য দেয়াল গড়ে তুলবে।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সফল সভাপতি শাবান মাহমুদের এই দূরদর্শী বক্তব্য কেবল একটি রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, এটি মূলত কোটি ভক্ত-অনুরাগীর হৃদয়ের স্পন্দন। দেশের রাজনৈতিক অলিন্দে এই ঘোষণা ইতিমধ্যেই এক বিশাল সমীকরণের জন্ম দিয়েছে।
“নেত্রী আসছেন—এই একটি বাক্যই তৃণমূলের ঝিমিয়ে পড়া শক্তিকে মুহূর্তে বারুদে রূপান্তর করতে সক্ষম। ডিসেম্বরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে গোটা বাংলাদেশ।”
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দাঁড়িয়ে দেওয়া এই অনড় ও ইতিবাচক ঘোষণা প্রমাণ করে যে, দেশের মাটিতে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন এখন আর কেবলই সময়ের ব্যাপার মাত্র। সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে, কোটি মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াকে সঙ্গী করে ডিসেম্বরেই আবার জননেত্রীর হাত ধরে বাংলাদেশ তার চেনা আলোয় ফিরবে—এমনটাই এখন বিশ্বাস আপামর জনসাধারণের।

