চট্টগ্রামের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহমান (৭০)—কারাগারে আটক থাকার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও তাকে বারবার কারাগার ও হাসপাতালের মধ্যে স্থানান্তর করা হয়েছে, যা তার শারীরিক অবস্থাকে আরও সংকটাপন্ন করে তোলে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও পরিবার সদস্যদের অভিযোগ, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় তাকে আটক রাখা হয়েছিল। সঠিক সময়ে যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত না হওয়ায় এই মৃত্যুকে অনেকেই কারা হেফাজতে মৃত্যুর (custodial death) শামিল বলে মনে করছেন।
একজন প্রবীণ রাজনীতিক, যিনি জীবনের বড় অংশ জনগণের সেবায় ব্যয় করেছেন—তার শেষ দিনগুলো কাটল কারাগারের দেয়ালের ভেতর, অসুস্থ শরীর নিয়ে, অনিশ্চয়তার মধ্যে। এটি শুধু একজন মানুষের মৃত্যু নয়, এটি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ওপর একটি গভীর আঘাত।
সংশ্লিষ্টরা মনে করে এই মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনের নামে যদি মিথ্যা মামলায় মানুষকে কারাগারে পাঠিয়ে অবহেলায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়, তবে তার দায় রাষ্ট্রকেই নিতে হবে।

