দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনপাবনায় হামলা শেষে লুটে নিয়ে গেল ৮ লাখ ক্যাশ ও ৫৫ লাখ টা/কার স্বর্ণ

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা: পাবনায় অভিযোগ, উদ্বেগ বাড়ছে সারাদেশের প্রেক্ষাপটেপাবনার পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা গ্রামে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রতীকভিত্তিক নির্বাচনী বিরোধের জেরে তাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে পাবনা সদর থানায়।অভিযোগকারী জাহিদ হাসান মুসা বলেন, শুক্রবার বিকেলে একদল ব্যক্তি তার বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় বলে তিনি দাবি করেন। একই ধরনের হামলার অভিযোগ করেছেন প্রতিবেশী ইয়াসিন আলী।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়, ফলে পরিবারগুলো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে জড়ানো হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তে সত্য প্রকাশ পাবে। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয় মানুষ ও প্রতিনিধিদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনা শুধু একটি এলাকার বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং সারাদেশেই একই ধরনের সহিংসতার অভিযোগ বাড়ছে। তাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিশোধমূলক মনোভাব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সহিংসতা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে তা সামাজিক স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে স্বচ্ছ তদন্ত, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক সংযম—এই তিনটি বিষয় এখন সবচেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে, যাতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *