বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি X (টুইটার) পোস্টে নারীদের বিষয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন যে, আধুনিকতার নামে নারীদের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হলে তারা শোষণ, নৈতিক অধঃপতন এবং নিরাপত্তাহীনতার শিকার হন। তিনি এটিকে সরাসরি “আরেক ধরনের বেশ্যাবৃত্তি” (another form of prostitution) বলে উল্লেখ করেছেন।
পোস্টে তিনি লিখেছেন:
“যখন নারীদেরকে আধুনিকতার নামে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়, তখন তারা শোষণ, নৈতিক অধঃপতন এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হন। এটা কিছুই না, শুধু আরেক ধরনের বেশ্যাবৃত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ার অশ্লীলতা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং নারীদের পণ্যায়ন অগ্রগতির লক্ষণ নয়—এগুলো নৈতিক পতনের উপসর্গ।”
তিনি আরও যোগ করেন যে, জামায়াতে নারীদের নেতৃত্বে আসা অসম্ভব এবং আল্লাহ এটি অনুমোদন করেননি। দলের অবস্থানকে তিনি “প্রিন্সিপলড” (নীতিগত) বলে বর্ণনা করেন এবং অনৈতিকতার সঙ্গে কোনো আপস না করার ঘোষণা দেন।
এই মন্তব্যকে অনেকে নারীবিদ্বেষী এবং অত্যন্ত আপত্তিকর হিসেবে দেখছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা চলছে—কেউ কেউ একে নারীদের অধিকারের প্রতি সরাসরি অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে “ঘর থেকে বের হওয়া নারীদের বেশ্যাবৃত্তি” বলার অংশটি ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এর আগেও জামায়াত-সংশ্লিষ্ট কিছু নেতার নারী-সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্য (যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘বেশ্যাখানা’ বলা) নিয়ে সমালোচনা হয়েছে, যা এই পোস্টের সঙ্গে মিলে দলের নারী নীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
এই ঘটনা নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে জামায়াতের অবস্থান নিয়ে আরও আলোচনা-সমালোচনা বাড়িয়েছে।

Leave A Reply

Exit mobile version