- সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৩ জনের
- হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু: ৭২ দিনে প্রাণহানি ৫৫৫
- সিলেটে ইউরোপে পাঠানোর নামে প্রতারণা: ৭ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা যুবশক্তি ও ছাত্রদল নেতা
- ‘ভারত যা চাইবে সব পাবে’: ট্রাম্পের ঘোষণায় নতুন করে সরগরম কূটনৈতিক মাঠ
- “রাজনীতির ময়দানে আবারও আওয়ামী লীগের পদধ্বনি: দ্রুত ফিরছে দলটি”
- নরসিংদীর রায়পুরায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা, আহত ১
- আওয়ামী লীগ নেতা ও সাতক্ষীরার সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যু
- জগন্নাথ হলে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে মারধর: অভিযুক্তরা ছাত্রদল নেতা
Author: author
উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ: শেখ হাসিনার শাসনামলের অর্জনআর এইচ অনিক,ঢাকা | ফিচার ডেস্কদীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, দারিদ্র্য ও অবকাঠামোগত পশ্চাৎপদতা পেছনে ফেলে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই রূপান্তরের পেছনে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে দেশ যে উন্নয়নযাত্রা অতিক্রম করেছে, তা শুধু আঞ্চলিক নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত।অবকাঠামো উন্নয়নে দৃশ্যমান পরিবর্তনশেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন মহাসড়ক দেশের অর্থনীতিকে নতুন গতি দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রকল্প শুধু যাতায়াত সহজ করেনি, বরং ব্যবসা ও শিল্পখাতকে করেছে আরও গতিশীল।বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথেএক সময়ের লোডশেডিং-নির্ভর বাংলাদেশ আজ…
Infobangla ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে “প্রহসন” ও “প্রতারণামূলক” আখ্যা দিয়ে তা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ দাবি করে, বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে জনগণের অর্থায়নে যে নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে, তা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নয়। দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ অপচয় করে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে এবং জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়ে একটি একপেশে ও সমঝোতার নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে। ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত…
Infobanglaপ্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের ১,৬৭৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক। দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত এসব নাগরিকের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণির প্রতিনিধিরা। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, বর্তমানে দেশে কোনো গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য ন্যূনতম রাজনৈতিক, আইনি ও নিরাপত্তাগত পরিবেশ বিদ্যমান নেই। তাদের মতে, প্রস্তাবিত নির্বাচন ও গণভোট একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসন, যা দেশকে অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার দিকে ঠেলে দেবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমান সরকার অনির্বাচিত হওয়ায় এই নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের কোনো নৈতিক কিংবা সাংবিধানিক বৈধতা…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শেখ হাসিনার নাম বারবার এসেছে পতন ও প্রত্যাবর্তনের গল্প হিসেবে। সময়ের ঘাত প্রতিঘাতে তাকে একাধিকবার রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও ইতিহাস বলছে প্রতিবারই তিনি ফিরে এসেছেন, ভিন্ন প্রেক্ষাপটে হলেও দৃঢ় অবস্থান নিয়ে। বর্তমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে দেশের একটি বড় অংশ আবারও সেই ইতিহাসের দিকেই তাকিয়ে আছে। তাদের বিশ্বাস, অতীতের মতোই শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অধ্যায় এখানেই শেষ নয়। বরং সময় ও পরিস্থিতি বদলে গেলে আবারও তিনি সক্রিয় ভূমিকায় ফিরবেন এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করছেন অনেকে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার রাজনীতির শক্তি কেবল ক্ষমতায় থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তার নেতৃত্বের বড় বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘ অপেক্ষা, ধৈর্য এবং সময়কে…
ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন ভোটার, প্রার্থী বা তাদের এজেন্ট, সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। তবে, গোপন কক্ষ বা ব্যালট স্ট্যাম্পিং রুমে মোবাইল নিষিদ্ধ থাকবে।আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি একথা জানান।সচিব বলেন, ‘পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনাদের মনে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল, তাই এটা আমরা সংশোধন করছি। মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটার, প্রার্থী বা তাদের এজেন্টরা ভেতরে যাবেন। সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ছবি তুলবেন, কিন্তু গোপন কক্ষ বা যেখানে স্টাম্পিং হয় সেখানে মোবাইল নিয়ে কেউ প্রবেশ করবেন না। এভাবে পরিপত্রটা…
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক প্রচারণায় প্রতিশ্রুতির বন্যা। মাঠপর্যায়ে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন দলের ভিন্ন ভাষা কেউ দিচ্ছে দৈনন্দিন সুবিধার আশ্বাস, কেউ আবার নৈতিক ও আধ্যাত্মিক পুরস্কারের কথা বলছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে এই প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তব ভিত্তি কতটা, আর নির্বাচনের পরে সাধারণ মানুষ আদতে কী পায়?ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপি প্রচারণায় ফ্যামিলি কার্ড, বাকি সুবিধা বা বিশেষ সহায়তার ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে জামাত ভোটকে আখিরাতের পুরস্কার এমনকি “জান্নাত”-এর সঙ্গে যুক্ত করে উপস্থাপন করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এগুলো মূলত আবেগনির্ভর বার্তা, যার লক্ষ্য ভোটারকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রভাবিত করা।একজন সাধারণ ভোটার নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইনফো বাংলাকে বলেন,“কার্ড বা সুবিধার…
Infobangla | আর এইচ অনিক আসন্ন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় সাংবাদিকতা ও নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ চলাকালে ভোটার ও সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ফোন ব্যবহার সীমিত থাকবে। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা। তবে মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের একটি অংশ মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত মোবাইল সাংবাদিকতার কার্যক্রমে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বর্তমান সময়ে অনেক সাংবাদিকই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছবি, ভিডিও ও তাৎক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। মোবাইল নিষিদ্ধ হলে ভোটকেন্দ্রের ভেতরের বাস্তব চিত্র দ্রুত…
ভোট দিতে নারাজ! রিপোর্ট | আর এইচ অনিক | Infobangla ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গণআন্দোলন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থায় একটি ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক। এর প্রভাব পড়তে যাচ্ছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের মনোভাবেও। মাঠপর্যায়ের আলোচনা ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, সব দলের অংশগ্রহণের কথা বলা হলেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে অংশ নিতে অনাগ্রহী একটি বড় অংশের ভোটার। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, এই অনাগ্রহের মাত্রা ধারণাগতভাবে প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি। যদিও এটি কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান নয়, তবে…
বিশ্লেষণ | Infobangla পূর্ব পাকিস্তান থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ—এই ভূখণ্ডের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণভোট বারবার ব্যবহার হয়েছে ক্ষমতা বৈধ করার একটি প্রশাসনিক কৌশল হিসেবে। ঘোষিত ফলাফলে বিপুল সমর্থনের চিত্র দেখা গেলেও, জনআস্থার বিচারে এসব গণভোট কখনোই স্থায়ী রাজনৈতিক বৈধতা অর্জন করতে পারেনি। ইতিহাসে একটি স্পষ্ট প্যাটার্ন বারবার ফিরে আসে—সংখ্যার জোরে “হ্যাঁ”, কিন্তু বাস্তবে জনগণের অনাস্থা। ১৯৬০ সালে সামরিক শাসক আইয়ুব খানের আয়োজিত গণভোটে সরকারিভাবে ৯৫ শতাংশের বেশি সমর্থনের দাবি করা হয়। তবে এই ভোটে সরাসরি জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না; ভোটাধিকার সীমাবদ্ধ ছিল নিয়ন্ত্রিত ‘Basic Democrats’ কাঠামোর প্রতিনিধিদের মধ্যে। পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক মহলে এটি গণইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে নয়, বরং সামরিক শাসনকে বৈধ করার…
অনলাইন ডেস্ক আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৫ আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দেশে যে অভূতপূর্ব অশান্তি, মিথ্যা মামলা, রাজনৈতিক হয়রানি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের ঝড় বয়ে গেছে—তারই প্রতিফলন দেখা গেল কারাগারে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাসে প্রথমবার কারাবন্দিদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও, মোট প্রায় ৮৫ হাজার বন্দির মধ্যে মাত্র ৪ হাজার ৫৩৮ জন (প্রায় ৭%) ভোট দিয়েছেন। ফলে ৯৩% বন্দি এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি—যা স্পষ্ট বয়কটের চিত্র। কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, ৬ হাজার ৩১৩ জন বন্দি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলেও ত্রুটির কারণে বৈধ হয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৯৪০ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৩৮ জন।…
Subscribe to Updates
Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.
