শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে একই দিন বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুরের জামায়াত প্রার্থী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম।
রাশেদুল ইসলাম জানান, শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকরা দেরিতে এসে চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে জামায়াত সমর্থকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় বিএনপি সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়।
এ ঘটনায় অন্তত ৫০ জন জামায়াত সমর্থক আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। পথে ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়।
নিহত রেজাউল করিম সম্পর্কে রাশেদুল ইসলাম বলেন, “আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।” পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, “তিনি ইসলামের জন্য একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। ইসলামের পথে কাজ করতে গিয়েই তিনি শহীদ হয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাত নসিব করেছেন।” এটি তার ব্যক্তিগত দাবি বলে জানান তিনি।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

