গত বছরের জুন মাসে সচিবালয়ের সামনে বোমাসহ এক ছাত্রলীগ নেতা আটক হয়েছেন—এমন দাবি করে দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে একযোগে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ওই সময় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়ে।
তবে দীর্ঘ প্রায় সাত মাস পর সম্প্রতি ওই ব্যক্তিকেই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গেছে। এ ঘটনার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে।
আলোচনায় অংশ নেওয়া অনেকের ধারণা, ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ওই সময় “বোমাসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক” শিরোনামে অপপ্রচার চালিয়েছিল। তাদের দাবি, ওই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ তখন স্পষ্ট ছিল না।
এদিকে, যাকে তখন ছাত্রলীগ নেতা বলে প্রচার করা হয়েছিল, তাকেই এখন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা বলয় বা দেহরক্ষী হিসেবে দেখা যাওয়ায় আগের দাবিগুলো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও নির্বাচনকেন্দ্রিক বাস্তবতায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। এ ধরনের অপপ্রচার রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির ভাবমূর্তিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তারা মনে করেন।

