নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
বিএনপি নেতা শেখ রবিউল আলম রবি (যিনি রবিউল ইসলাম রবি নামেও পরিচিত) বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১০ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় তিনি পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে শেখ রবিউল ইসলাম রবি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন সময়ে সমালোচিত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজির মামলার পাশাপাশি একটি আলোচিত হত্যা মামলায় নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজধানীর হাতিরঝিল মহানগর প্রকল্প এলাকায় বাড়ি নির্মাণ ও ফ্ল্যাট ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দীপ্ত টেলিভিশনের সম্প্রচার বিভাগের কর্মকর্তা তানজিল জাহান ইসলাম তামিম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় শেখ রবিউল ইসলাম রবি-সহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হাতিরঝিল থানার ওসি সাইফুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শেখ রবিউল ইসলাম রবি নিজেকে মামলার সক্রিয় প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন—এমন গুঞ্জনও বিভিন্ন মহলে রয়েছে।
সূত্র জানায়, শেখ রবিউল ইসলাম রবি ‘প্লিজেন্ট প্রপার্টিজ’ নামের একটি ডেভেলপার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ওই কোম্পানি নিহত তামিমের বাবার জমিতে চুক্তির ভিত্তিতে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করে। ভবনের ফ্ল্যাট বণ্টন নিয়ে বিরোধের জেরেই কোম্পানির লোকজন বাসায় ঢুকে তামিমকে পিটিয়ে হত্যা করে—প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য উঠে আসে।
এদিকে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত একজন রাজনীতিকের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

