গত এক বছরে তিশার সম্পদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে বলা হচ্ছে, তাঁর ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে এই বৃদ্ধির পেছনের কারণ নিয়ে চলছে আলোচনা।
যদি কোনো নির্বাচনী হলফনামা, কর নথি বা ব্যবসায়িক আর্থিক বিবরণীতে সম্পদ বৃদ্ধির তথ্য থাকে, তবে সেটি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পদ বৃদ্ধি অস্বাভাবিক নয় ব্যবসা সম্প্রসারণ, সম্পত্তির মূল্যবৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ বা উত্তরাধিকার সূত্রেও এমন হতে পারে।
অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে,
“জনপ্রতিনিধি বা আলোচিত ব্যক্তিদের সম্পদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকলে বিতর্ক কমে। তথ্য গোপন থাকলে প্রশ্ন বাড়ে।”
এ বিষয়ে তিশা বা তাঁর প্রতিনিধির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। সাংবাদিকতার নীতিমতে, অভিযোগ বা দাবি প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া জরুরি।
এক বছরে সম্পদ দ্বিগুণ হওয়া নিজেই অপরাধের প্রমাণ নয়। তবে জনআলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নথিভিত্তিক ব্যাখ্যা জনআস্থা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

