নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের বিশেষ নির্দেশনায় সারাদেশে ধান কাটা উৎসবে মেতেছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। তীব্র গরম এবং শ্রমিক সংকটের কারণে বিপাকে পড়া প্রান্তিক কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এই স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম শুরু করেছে সংগঠনটি।
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ধান পেকে গেলেও শ্রমিকের চড়া মজুরি বা অভাবের কারণে অনেক কৃষক যখন ফসল ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ইউনিটের নেতা-কর্মীরা কাস্তে হাতে নেমে পড়েছেন কৃষকের জমিতে।
একজন স্থানীয় কৃষক আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, “ধান পেকে জমিতে ঝরছিল, কিন্তু কামলা (শ্রমিক) পাচ্ছিলাম না। ছাত্রলীগের ছেলেরা এসে রোদে পুড়ে আমার ধানগুলো কেটে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। এতে আমার বড় উপকার হলো।”
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, ছাত্রলীগ সবসময় সাধারণ মানুষের বিপদে পাশে থেকেছে। করোনা মহামারীর সময় যেমন তারা কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছিল, সেই ধারাবাহিকতায় এবারও তারা কৃষকের সেবায় মাঠে আছে। কোনো প্রতিদান ছাড়াই নেতা-কর্মীরা কৃষকের হাসি দেখতে এই হাড়ভাঙা খাটুনি মেনে নিচ্ছেন।
তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে অসহায় ও দরিদ্র কৃষকদের তালিকা করে ধান কাটা ও মাড়াই করে গোলায় তুলে দেওয়ার এই মানবিক উদ্যোগ সুধীমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী হিসেবে ছাত্রসমাজের দায়বদ্ধতা থেকেই এই সেবা কার্যক্রম দেশব্যাপী অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের কর্মীরা।
