নিজস্ব প্রতিনিধি :
তুরাগ নদীতে ফেলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে এই পুরো ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার এক অপচেষ্টা চলছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
দলটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়।
আওয়ামী লীগের ফেসবুক পোস্টের বরাতে জানা যায়, অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য গোপন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর একটি বিশেষ টিম দিনভর তুরাগ থানায় অবস্থান করছে।
নদী থেকে উদ্ধার হওয়া তিন কর্মীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নয়, বরং সাধারণ ‘অপমৃত্যু’ বা ‘ডুবির ঘটনা’ হিসেবে মামলা করানোর জন্য নিহতদের পরিবারের ওপর থানা থেকে তীব্র চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
দলটির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে যে, বর্তমান সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআইয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া এবং পর্দার আড়ালে সুরাহা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একই সাথে আওয়ামী লীগের অভিযোগ—পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আগামীকাল নিহতদের পরিবারবর্গকে গণমাধ্যমের সামনে এনে একটি ‘সাজানো সংবাদ সম্মেলন’ আয়োজন করার জোর প্রক্রিয়া চলছে, যেন ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে মোড় দেওয়া যায়।
“রাজনীতি ও হত্যাকাণ্ডের নামে এই ধরনের নিষ্ঠুর অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এই বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। একই সাথে, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

