নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
ভ্যাপসা গরম আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অসহনীয় লোডশেডিং। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম—কোথাও মিলছে না স্বস্তি। দিন কিংবা রাত, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন এখন ওষ্ঠাগত। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং রোগীদের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়।
এক নজরে বর্তমান পরিস্থিতি:
- চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি: জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
- গ্রামের চিত্র ভয়াবহ: শহরাঞ্চলে দিনে কয়েকবার বিদ্যুৎ গেলেও গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও নাজুক। অনেক এলাকায় দিনে ১০-১২ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না।
- ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন: কলকারখানা ও ক্ষুদ্র শিল্পে বিদ্যুৎ না থাকায় উৎপাদন কমে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে দেশের অর্থনীতিতে।
- শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি: সামনে পরীক্ষার মৌসুমে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় চরম ব্যাঘাত ঘটছে শিক্ষার্থীদের।
বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় এবং বেশ কিছু পাওয়ার প্ল্যান্ট বন্ধ থাকায় এই লোডশেডিং প্রকট আকার ধারণ করেছে। লোডশেডিংয়ের এই মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও নাগরিকরা তাদের দুর্ভোগের কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, অন্তত রাতের বেলা যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হয়, যাতে একটু শান্তির ঘুম সম্ভব হয়। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কতদিন সময় লাগবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস মিলছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে।

