নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ক্রিসেন্ট লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে পোনা অবমুক্ত করার সময় মরা মাছ ছাড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জিয়া উদ্যানের লেকের বেইলি ব্রিজসহ কয়েকটি স্থানে নিজ হাতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন তিনি।
ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রীকে মরা মাছের দিকে ইঙ্গিত করে কিছু একটা বলতে শোনা যায়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মাছগুলো কেন মারা গেল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।
বিষয়টি জানতে প্রথমে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সময়ের আলোকে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিটি মৎস্য অধিদপ্তরের দায়িত্বে ছিল না।
তিনি বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব পেলে কোনো পোনা মারা যেত না। আমাদের অধিদপ্তরের আয়োজনে সম্প্রতি কটিয়াদিতে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী পোনা অবমুক্ত করেছেন। সেখানে কোনো ব্যত্যয় হয়নি। তবে আজ কারা এর দায়িত্বে ছিল, আমরা জানি না।’
পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) আরিফুর রহমান তুষার জানান, পোনা সংগ্রহ ও রক্ষণাবেক্ষণের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী সোহেল।
এ বিষয়ে হাবিব-উন-নবী সোহেল সাংবাদিকদের বলেন, দল থেকে আমাকে দায়িত্বে দিলেও পরে এই মাছের পোনা কেনার দায়িত্ব যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন ‘আমার সাধারণ ধারণায় মনে হয়েছে, মাছগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পাওয়ায় মারা গেছে। এত পোনার মধ্যে মারা যাওয়ার সংখ্যা খুবই নগণ্য ছিল। আর কিছু মাছ প্রথমদিকে ভেসে ছিল; পরে পানির সঙ্গে এডজাস্ট হয়ে ডুবে যায়। ভেসে থাকা সব মাছ মৃত ছিল না।’
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের দায়িত্বে পোনা সংগ্রহের কথা ছিল সেখানে কিভাবে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন এই দায়িত্ব নেন সে ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।
