Headlines

ফুলকপি প্রতীকে ‘এজেন্টের ভিড়, ভোটে শূন্যতা’—বগুড়ার উপনির্বাচনে চমক!

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ঘটেছে এক অভিনব ও আলোচনাসৃষ্টিকারী ঘটনা।

 বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) প্রার্থী মো. আল-আমিন তালুকদার, যিনি ‘ফুলকপি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন, তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৯৯—যা তার নিজস্ব পোলিং এজেন্টের সংখ্যার চেয়েও কম!

নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের ৮৩৫টি কক্ষে তার নিয়োগ করা পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ভোটের বাক্স খুলতেই দেখা যায় ভিন্ন চিত্র—এত বিপুল সংখ্যক এজেন্ট থাকা সত্ত্বেও ভোট পড়েছে মাত্র ৪৯৯টি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, নিজের নিয়োগ করা এজেন্টদের বড় একটি অংশও কি তাকে ভোট দেননি?

মোট প্রদত্ত ভোটের মাত্র ০.২৬ শতাংশ পেয়েছেন আল-আমিন তালুকদার। যেখানে জামানত রক্ষা করতে প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ১২.৫ শতাংশ ভোট।

 ফলে স্বাভাবিকভাবেই তিনি হারিয়েছেন জামানত।

স্থানীয় ভোটারদের মতে, ‘ফুলকপি’ প্রতীকটি নজর কাড়লেও প্রার্থী হিসেবে আল-আমিন তালুকদার ছিলেন প্রায় অচেনা। মাঠে প্রচারণার ঘাটতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ফলে ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

এদিকে জনমনে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে একাধিক প্রশ্ন—

এত সংখ্যক পোলিং এজেন্ট কীভাবে নিয়োগ করা হলো?

তারা কেন নিজেদের প্রার্থীকে ভোট দিলেন না?

নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো অজানা সমীকরণ?

ঘটনাটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছে। অনেকেই এটিকে ‘নির্বাচনের অদ্ভুত পরিসংখ্যান’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।

 এ বিষয়ে প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

সব মিলিয়ে, বগুড়ার এই উপনির্বাচন যেন রেখে গেল এক ব্যতিক্রমী প্রশ্নচিহ্ন—এজেন্টে ভরপুর, কিন্তু ভোটে শূন্যতার এই সমীকরণের ব্যাখ্যা কী?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *