নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ মহলের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে সমন্বয়ক রাফি এবং তার অনুসারীরা বন্দরের বিভিন্ন খাত থেকে প্রায় ৩৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, ছাত্র আন্দোলনের সফলতার পর একটি চক্র বন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। তবে ৩৭ কোটি টাকার মতো বড় অংকের চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ বা ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরনের দাবিকে ভিত্তিহীন এবং আন্দোলনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চক্রান্ত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে আন্দোলনের নাম ব্যবহার করলে তার দায় সংগঠন নেবে না।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ বা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

