ফের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ঝু/লন্ত ম/রদেহ উদ্ধার

রাজধানীর পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে ধূপখোলা এলাকার মনিজা রহমান স্কুলের পাশের একটি বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম ইমরান নাবিল। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়।


গেন্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল হাসান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ধূপখোলা এলাকার মনিজা রহমান স্কুলের পাশের রজনী চৌধুরী রোডের একটি বাসা থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।


নাজমুল হাসান আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার কলতাবাজারের একটি মেস থেকে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিবা সুলতানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার আগে ১৯ জানুয়ারি উদ্ধার করা হয় নাট্যকলা বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আকাশ সরকারের মরদেহ। এ নিয়ে চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে বিশ্ববিদ্যালয়টির তিন শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার হলো। এভাবে দেশের মেধাবী ছাত্রদের একের পর এক হতাশ থেকে আত্মহত্যা দেশের ভবিশত্যের জন্য আশনি সঙ্কেত!


গত ১৮ মাসে দেশের অর্থনীতি-ব্যাবসা বানিজ্য মন্দা সর্বোপরি চাকুরির ক্ষেত্র তৈরি না হওয়া এবং কারখানা এবং বড় বড় কোম্পানি বন্ধ হয়ে দেশে চাকুরী সঙ্কট এসবের কারনের শিক্ষার্থীদের মাঝে অনিশ্চিত জীবন এবং তাদের ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তা হতাশায় রূপ নেয় যার ফলে এই ধরনের আত্মহত্যার প্রবনতা দেখা দিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারনা!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *