Infobangla | আর এইচ অনিক
আসন্ন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় সাংবাদিকতা ও নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ চলাকালে ভোটার ও সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ফোন ব্যবহার সীমিত থাকবে। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা।
তবে মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের একটি অংশ মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত মোবাইল সাংবাদিকতার কার্যক্রমে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বর্তমান সময়ে অনেক সাংবাদিকই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছবি, ভিডিও ও তাৎক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। মোবাইল নিষিদ্ধ হলে ভোটকেন্দ্রের ভেতরের বাস্তব চিত্র দ্রুত প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গণমাধ্যমকর্মী Infobangla-কে বলেন,
“মোবাইল ছাড়া ভোটকেন্দ্রে কী ঘটছে, সেটা রিয়েল টাইমে দেখানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। এতে তথ্য সংগ্রহ একপাক্ষিক হওয়ার ঝুঁকি থাকে।”
বিশ্লেষকদের মতে, মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি অনেক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও বা ছবি তাৎক্ষণিকভাবে প্রমাণ হিসেবে আলোচনায় আসে। মোবাইল নিষিদ্ধ থাকায় সেই সুযোগ সীমিত হলে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ ও গুজব বাড়তে পারে বলেও মনে করছেন তারা।
অন্যদিকে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মোবাইল নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো ভোটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়ানো। তাদের মতে, এই নিয়ম সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

