Infobangla ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে “প্রহসন” ও “প্রতারণামূলক” আখ্যা দিয়ে তা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ দাবি করে, বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে জনগণের অর্থায়নে যে নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে, তা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নয়। দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ অপচয় করে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে এবং জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়ে একটি একপেশে ও সমঝোতার নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে।
ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলনের কোনো সুযোগ নেই এবং এটি গণতন্ত্রের সঙ্গে তামাশা করার শামিল। আওয়ামী লীগ দাবি করে, ইতোমধ্যেই বিভিন্ন পর্যায়ে এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে এবং প্রবাসী ও কারাবন্দিদের বড় একটি অংশ ভোটদান থেকে বিরত রয়েছে।
দলটি সতর্ক করে জানায়, দেশের সমগ্র জনগণের মতামতের প্রতিফলন ছাড়া অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচন বাংলাদেশকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এজন্য একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে কেউ যেন এই নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা না রাখে, সে আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই নির্বাচনে ভোট প্রদান ভবিষ্যৎ সংকটের জন্য দায়ী হতে পারে এবং অন্তত ভোট বর্জনের মাধ্যমে নাগরিকদের নিজেদের সেই দায় থেকে মুক্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিকদের প্রতি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট বর্জনের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানায়।

