নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে পিটিয়ে যুবক হত্যা করে মিষ্টি বিতরণ

নোয়াখালীর কবির হাট উপজেলায় কালীর হাট বাজারে শনিবার রাত ১০ ঘটিকায় মিজানুর রহমান (৩৫)  নামের এক যুবককে  ডাকাত আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। নিহত মিজানুর রহমান ওরফে রনি দুই সন্তানের জনক। নিহত মিজানকে হত্যা করার পর বাজারে মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস করতে দেখা গেছে কিছু যুবকদের।  রক্তমাখা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে উদযাপন করতে দেখা যায় স্থানীয় যুবকদের। 

এইদিকে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ফুটেজ প্রকাশ পাবার পর শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনার মাধ্যমে সমাজে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে এবং মানুষ বুঝতে পারছে না এর সমাপ্তি  কোথায়। তাঁদের মতে, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া একমাত্র তখনই সম্ভব, যখন সরকার ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলি নিজেদের দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দেয়।

এই পরিস্থিতিতে, ইউনূসের বাংলাদেশ ২.০ অথবা ৫ আগস্টের পর  স্বাধীনতার এক নতুন রূপ একটি বড় প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। আইনহীনতার ইউনূসের শাসনামলে , যেখানে ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে মানুষ হত্যার পর উৎসব পালন করা হচ্ছে, সেখানে জনগণের নিরাপত্তা কতটুকু নিশ্চিত থাকবে?

অন্যদিকে, এই ঘটনায় ইউনূসের শাসনব্যবস্থা এবং ইউনূসের প্রশাসনের বিরুদ্ধে  সুশীল সমাজের তীব্র সমালোচনা চলছে।নেটিজেনরা অনলাইনে মতামত প্রকাশ করে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তারা দাবি করেছেন, দেশের আইনকানুন ও বিচারব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন, যাতে নাগরিকরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন এবং এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। নেটিজেন দের আরও মন্তব্য করতে দেখা যায় যে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে এবং মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ এই সরকার নিতে পারে নি বলেই দেশে বার বার এমন ঘটনা ঘটে চলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *